রহস্য

সাহারা মরুভূমির অলৌকিক রহস্য | সাহারা মরুভূমির আদ্যোপান্ত

স্টোরি হাইলাইটস
  • Knowledge is power
  • The Future Of Possible
  • Hibs and Ross County fans on final
  • Tip of the day: That man again
  • Hibs and Ross County fans on final
  • Spieth in danger of missing cut

দূর দূর অব্দি বিস্তৃত বালির এক অশেষ সমুদ্রে সাহারা মরুভূমি, দিনের বেলায় সূর্য্যের আগুনের বৃষ্টি আর রক্ত হীম করার মত ঠান্ডা রাত।

সেখানে বৃষ্টি তো দূরের কথা আকাশে একটা মেঘের ফোটা পর্যন্ত দেখা যায় না, সোনার মত সুন্দর এবং নিজের ভিতর লুকিয়ে রাখা এটা হচ্ছে “সাহারার মহান মরুস্থল

আমাদের পৃথিবীর দ্বিতীয় সবচেয়ে বড় মহাদেশ আফ্রিকার উত্তর পাশে ছড়িয়ে থাকা সাহারা মরুভুমি যদি একটা দেশ হতো তাহলে এর আকৃতি হত আমেরিকার চাইতেও বড় দেশ। পৃথিবীর সবচেয়ে উষ্ণতম জায়গা সাহারা মরুভূমিতে এমন কিছু কিছু জায়গা রয়েছে যেখানে শত শত বছর যাবৎ বৃষ্টি হয়নি। এখানকার গরম এবং শুকনো আবহাওয়া জায়গাটিতে জীবনকে বাঁচানোর জন্য অনেক অনুপোযোগী বানায় ।

আর ভিডিও শুরু করবার আগে আমাদের চ্যানেলটিকে সাবস্ক্রাইব করে ফেলুন এইরকম রোমাঞ্চকর ভিডিও পেতে।

তাহলে চলুন শুরু করা যাক আজকের ভিডিও অলৌকিক সাহারা মরুভূমি! এ মরুভূমির রহস্যময় একটা জিনিস হলো বিশাল মরুর বুকে চোখ! কি চমকে গেলেন তো? যে চোখের কথা বলা হচ্ছে আসলে সেটিকে সাহারা মরুভূমির চোখ বলা হয়ে থাকে। আসলে এটা হচ্ছে একটা কলাকৃতি মানুষের চোখের মতো দেখতে পায় না কিন্তু এটাকে দেখতে একটা চোখের মতোই লাগে ।

সাবমেরিনের মধ্যে মানুষ কিভাবে জীবনযাপন করে | সাবমেরিন কিভাবে কাজ করে

এই অদ্ভুত কলাকৃতি মহাকাশ থেকে দেখতে পাওয়া যায়। চোখটির সবচেয়ে অবাক ব্যাপারটি হচ্ছে এটির ভিতর নানা রকমের রহস্য লুকিয়ে রেখেছে। আফ্রিকার সাহারা মরুভূমির মাঝে অবস্থিত এই চোখটি প্রায় ৫০ কিলোমিটার লম্বা এবং চওড়া, যার নাম দেওয়া হয়েছে রিচার্স স্ট্রাকচার, বিজ্ঞানীরা আজও অব্দি জানতে পারেন নি এই  স্ট্রাকচার কে বা করা বানিয়েছে। যদি আমরা ভেবে নেই এটা মানুষ বানিয়েছে তাহলে সে সময় কি মানুষের কাছে এমন টেকনোলজি ছিল যে এতো বড়ো একটা  স্ট্রাকচার মানুষ বানাতে পারে?

এই জন্যই এই রহস্যময় চোখটি আমাদের ভাবতে বাধ্য করে, আবার অনেক মানুষ তো এটা সম্পর্কে বলে থাকে যে এটা এলিয়েনরা বানিয়েছে। তবে আপনি এ ব্যাপারে কি মনে করেন কমেন্টের মাধ্যমে আমাদেরকে জানান।

সাহারা মরুভূমির ক্ষেত্রফল এক রহস্যময় ভাবে এর আকার বাড়ে আবার কমে থাকে। বিজ্ঞানীদের ভাষা অনুযায়ী এর কারণ বলা হয়েছে গ্লোবাল ওয়ার্মিং, বিজ্ঞানীদের রেকর্ড অনুযায়ী আজ থেকে ১০০ বছর আগের থেকে এখন প্রায় নয় লক্ষ বর্গ কিলোমিটার বেড়ে গেছে। 

এই মরুভূমির মাঝে কেবল মাত্র বালির পাহাড় দেখা যায় আপনি হয়তো এটাই জানেন তবে আপনার ধারণাটি হচ্ছে ভুল, এই সাহারা মরুভূমিতে প্রচুর পরিমানে বরফ ও পরে থাকে। সাহারাহ প্রবেশদ্বার বলা হয়ে থাকে উত্তর আলজেরিয়ার এনসাফেরাতে আর সেখানে যখন লাল বালির উপর বরফ পরে তখন এটা দেখতে খুবই সুন্দর হয়ে থাকে ।

বলা হয়ে থাকে কখনো কখনো এখানে প্রায়ই ৬ ইঞ্চি পরিমানে বরফ পরে থাকে, সাহারা মরুভুমি আসলে কোথায় অবস্থিত? অনেকেই মনে করে এটা একটা দেশে বিস্তৃত আসলে সাহারা মরুভুমি ১১ টা দেশ মিলে রয়েছে। যেটার ক্ষেত্রফল হচ্ছে ৯২ লক্ষ বর্গকিলোমিটার। যা আফ্রিকা মহাদেশের উত্তরে ১১ টা দেশে অবস্থিত, আপনি তো জানেন প্রকৃতি কখনো কখনো অনেক চমৎকার কিছু আমাদের উপহার দেয় আর সেগুলি কিভাবে হয় সেটা মানুষের চিন্তা শক্তির বাইরে।

এইরকম একটি চমৎকার ১০০ বছর আগে হয়েছিল ভূগর্ভের গতিবিধের জন্য মাটির গভীরতা থেকে পানি বেরিয়ে আসছিলো এবং এখানে একটি বড়ো রোঁদের সৃষ্টি হয়, বিজ্ঞানীদের মোতে এইরকম রোদ কে বলা হয়ে থাকে গুয়েলটা

সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হচ্ছে এখানে এতো গরমের ফলেও এখানকার পানি শুকিয়ে যায় না। এখানে সর্বক্ষণ ভূগর্বস্থ থেকে পানি আসতে থাকে সাহারা মরুভুমির এ স্থানকে বলা হয়ে থাকে “গুয়েলটা ডি-অর্চি “

এই মরুভূমিতে বাস করা উট প্রতিদিন আসে, পানি খায় এবং বিশ্রাম করে থাকে। বছরের পর বছর যাবৎ উট এখানে আসার ফলে তাদের মলমূত্র দিয়ে এখানকার পানির রং কালো হয়ে গেছে। এই সাহারা মরুভূমিতে প্রচুর পরিমানে গুয়েলটা পাওয়া যায় ।

আপনারা অনেকেই হয়তো জানেন না এখানে প্রায় ৫ হাজার বছরের পুরোনো একটি কবরস্থান পাওয়া যায়, সেটার উপর বিজ্ঞানীরা খোঁজ করার পর একটা মহিলার মাথার খুলি খুঁজে পায়, যাকে তার দুই শিশুর সাথে কবর দেওয়া হয়। আর এর থেকেই বুঝা যায় সাহারায় কোনো একসময় মানুষ বাশ করতো, বিজ্ঞানীরা এমনও বলে থাকে যে সাহারাতে একসময় জঙ্গলে ঢাকা ছিল।

আপনার মতামত দিন

Back to top button
%d bloggers like this: